ঘনকুয়াশার কারণে বিমান চলাচল বন্ধ ছিল

34

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে ঘনকুয়াশার কারণে গত রাত ১২টা ১৫ মিনিট থেকে সকাল ৯টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিমানের সকল ফ্লাইট উঠা নামা বন্ধ ছিল। এ কারণে আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ রুটের সকল ফ্লাইট উঠা-নামায় বিলম্ব হয়।

বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (সিএএবি) মুখপাত্র একেএম রেজাউল করিম আজ এক সূত্রে জানান, সকাল ৯ টা ৩০ মিনিট থেকে অভ্যন্তরীণ রুটের এবং ১০টা ১৫ মিনিট থেকে আন্তর্জাতিক রুটের ফ্লাইট চলাচল পুনরায় শুরু হয়।

তিনি জানান, গভীর রাতের পর ঘনকুয়াশা ছিল। কুয়াশা হালকা হবার পর ফ্লাইট চলাচল পুনরায় শুরু হয়। এ সময়ে ছয়টি যাত্রীবাহী ফ্লাইট এবং একটি কার্গো ফ্লাইট কলকাতা ও চট্টগ্রামসহ অন্যান্য বিমানবন্দরে পাঠানো হয়।

তিনি আরো জানান, রাত ১২টা ৪০ মিনিটে থাই এয়ার লাইন্সের একটি ফ্লাইট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করতে না পারায় পুনরায় ব্যাংককে ফিরিয়ে দেয়া হয়। সৌদি এয়ার লাইন্সের একটি ফ্লাইট কলকাতায় পাঠানো হয়। ফ্লাইটটি ১২টা ৫৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা ছিল। রাত ১২টা ৫০ মিনিটে চীন থেকে আসা ইউনিটপ কার্গো বিমানটি মিয়ানমারে পাঠানো হয়। রাত ৪ টায় গালফ এয়ার’র একটি ফ্লাইট কলকাতায় এবং ইউএস-বাংলার একটি ফ্লাইট চট্টগ্রামে পাঠিয়ে দেয়া হয়। পাশাপাশি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, চীনা সাউদার্ণ, আমিরাত, মালিন্দো এয়ার, কাতার এয়ার ওয়েজ এবং এয়ার এশিয়ার ফ্লাইটগুলো ঘনকুয়াশার কারণে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে যেতে বিলম্ব হয়। এ সকল ফ্লাইট সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে বিমান বন্দর ছেড়ে যায়। আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের অংশ হিসাবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি, নভো এয়ারের চারটি এবং ইউএস বাংলার তিনটি ফ্লাইট ঘনকুয়াশার কারণে বিমান বন্দর ছেড়ে যেতে বিলম্ব হয়।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, মধ্যরাত থেকে আগামীকাল সকাল পর্যন্ত সারারাত মাঝারি থেকে হালকা কুয়াশা পড়তে পারে এবং দুপুর পর্যন্ত এ অবস্থা অব্যাহত থাকতে পারে।