নানা গুনে গুণান্বিত শ্রদ্বেয় শ. ম. রেজাউল করিম স্যার

46

এ্যাডভোকেট কুমার দেবুল দে ॥ গত বছরের এমনি এক ছুটিরদিনে, সুপ্রীম বারের সভাপতি মহোদয়ের রুমে স্যারের ছবি দুইটা আমি তুলেছিলাম। কাল কম্পিউটার ঘাটতে গিয়ে হঠাত ছবি দুইটা খুঁজে পাওয়াতে আপ্লোড দেয়ার লোভ আর সামলাতে পারলাম না।

ছবির মানুষটির নাম শ্রদ্বেয় শ. ম. রেজাউল করিম স্যার, সম্মানিত আইন সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, চেয়ারম্যান, ফিন্যান্স কমিটি, বাংলাদেশ বার কাউন্সিল, সাবেক সম্পাদক, সুপ্রীম কোর্ট বার।

স্যার অনেক গুনে গুণান্বিত একজন মানুষ, সুবক্তা, দর্শনধারী একজন প্রাজ্ঞ ব্যাক্তিত্ব। ২০০৯ সালের ছোট্ট একটা গল্প শেয়ার করছি এনেক্স ৫ নম্বর আদালতে একটা আগাম জামিনের মামলা শুনানী করছিলেন স্যার, মামলার মেরিট খুব খারাপ আমি নিজেই বুঝতে পারছিলাম, মাননীয় বিচারপতি আব্দুল ওয়াহাব মিয়া বললেন, ” একটা ডাইরেকশন নিয়া যান, আর জামিনের ব্যাপারটা ” May Consider” করতে বলে দেই। স্যার একটু জোরাজুরি করতে গেলে মাননীয় বিচারপতি বললেন ” মি. শ. ম. রেজাউল করিম, আপনার মক্কেলরে বলেন আপনারে টাংগাইল নিয়া যাইতে, আপনি যেই মানের বক্তা জজ সাহেব আপনার বক্তব্য শুনে কোন ভাবেই আসামীরে জেলে ঢুকাইতে পারবেনা আপনার Shall Consider এর দরকার নাই”।

গুনের কথা বলে শেষ করা যাবেনা। স্যারের যে গুনটি সবচেয়ে বেশী আমাকে টানে তাহল স্যারের অসম্ভব রকমের রসবোধ সাথে প্রত্যুৎপন্নমতিতা / উপস্থিত বুদ্বি। এইক্ষেত্রে স্যারকে পরাস্থ করা কঠিন। একটা উদাহরণ দেই, আমাদের সবার অভিভাবক ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন স্যার অসম্ভব রকমের সংগীত অনুরাগী মানুষ এবং গান শুনতে খুবই ভাল বাসেন। স্যার মাঝেমাঝেই রেজা স্যারের দিকে আংগুল দেখিয়ে বলেন,” এবার গান গাইবে শ. ম. রেজাউল করিম”। আর স্যারেরও সেই একই উত্তর ” স্যার আমিতো টেলিভিশনে ছাড়া গাইতে পারিনা”। আর আমরা হাসতে হাসতে গড়াগড়ি। (স্যার ক্ষমা করবেন)

লেখকঃ এ্যাডভোকেট কুমার দেবুল দে
সদস্য,নির্বাহী কমিটি,সুপ্রিমকোর্ট বার এসোসিয়েশন।