একজন নুরুল ইসলাম বাদশা

106

নুরুল ইসলাম বাদশা আদর্শের একটি নাম। দেশের ছাত্র রাজনীতিতে মানুষটির অবদানের কোন শেষ নেই। সদ্য কিশোর থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় ছাত্র রাজনীতিতে নিজের নীতি আদর্শকে বুকে আগলে রেখেছেন। জাতির পিতার আদর্শ লালন করছেন সেই শিশুকাল থেকে। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে নিজেকে তৈরি করছেন প্রতিনিয়ত। বলছেন দেশ ও নিজ এলাকা খুলনা ৫ ডুমুরিয়া ফুলতলার জনগনের পক্ষ নিয়ে। যা ইতোমধ্যে সর্বজন জ্ঞাত। বিশেষ করে নুরুল ইসলাম বাদশা একজন দেশপ্রেমী পরিক্ষিত সাবেক ছাত্রনেতা। ছাত্ররাজনীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ও বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বরের অধিকারী। যার জন্য তিনি আলাদা ভাবে তরুণদের মাঝে জায়গা দখল করে নিয়েছেন। তাঁর সততা ও আদর্শ প্রতিনিয়তই যে কাউকেই মুগ্ধ করে। ব্যাক্তি ইমেজের ভেতর খুঁজে পাওয়া যায় মা মাটির গন্ধ। তাঁর বিশেষ গুণ হল সদা মিষ্টিভাষী।

অন্যদিকে নুরুল ইসলাম বাদশাকে মূল্যায়ন করতে গিয়ে কুষ্টিয়ার কৃতি সন্তান ও পদকপ্রাপ্ত দেশ সেরা সাংবাদিক, লেখক, শিক্ষক, কলামিষ্ট সদরুল অাইন বলেন, নুরুল ইসলাম বাদশা একটি নাম, একটি অহংকার। কূলষিত রাজনীতির পাদদেশে দাঁড়িয়েও যিনি ভাবেন অনাগত জীবনের কথা। জনপ্রিয়তা যার মানবিক সত্তাকে অহংকারী করেনি বরং করেছে অতি মানবিক। জীবন তাকে নিয়ে গেছে সাধারণ মানুষের গভীরে- জীবনের কাছাকাছি।

নুরুল ইসলাম বাদশার ব্যক্তিত্ব, ইমেজ, গ্রহণযোগ্যতা, জনপ্রিয়তা হিমালয়সম। তাকে অতিক্রম করার মত কোন নেতৃত্ব এই মূহুর্তে ডুমুরিয়া ফুলতলায় নেই। তার অাকাশ ছোঁয়া জনপ্রিয়তার কারণেই তিনিই হতে যাচ্ছেন ডুমুরিয়া ফুলতলার তরুণদের কান্ডারী। শুধু তাই নয়, ছাত্র রাজনীতির পথিকৃৎ এই রাজনৈতিক খুলনা-৫ ডুমুরিয়া ফুলতলার জনগনের হৃদয়ে বেঁচে থাকবে অনেক দিন।

খুলনার ডুমুরিয়া ও ফুলতলা উপজেলা নিয়ে খুলনা-৫ আসন গঠিত। এটি জাতীয় সংসদের ১০৩ নম্বর নির্বাচনী এলাকা। খুলনা সিটি করপোরেশন সন্নিহিত ফুলতলা উপজেলার বিশাল এলাকাজুড়ে রয়েছে শিল্প-কলকারখানার অবস্থান। আর কৃষি উৎপাদনের দিক দিয়ে ডুমুরিয়া উপজেলার পরিচিতি ব্যাপক।

রাজনৈতিক দিক দিয়ে আসনটি বরাবরই আওয়ামী লীগের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। এ কারণে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশীরা এখানে অনেক বেশি তৎপর। কারণ তাঁরা মনে করেন, এখানে দলীয় মনোনয়ন পাওয়া মানেই জয়লাভ করার প্রাথমিক ধাপ পেরিয়ে যাওয়া। বিপরীতে, বিএনপিও মনে করে এই আসনে তাদেরও জয়লাভ করার সামর্থ্য রয়েছে।

ডুমুরিয়া উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন ও ফুলতলা উপজেলার চারটি ইউনিয়ন মোট আঠারোটি ইউনিয়ন মিলে একটি বিশাল এলাকাজুড়ে খুলনা-৫ আসন। এর তিন দিকে তিন জেলার সীমানা। স্বাধীন বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত প্রায় সব সংসদ নির্বাচনেই এখানে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জয়লাভ করেছেন। দীর্ঘদিন এ আসনের প্রতিনিধিত্ব করেছেন প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক সালাহউদ্দিন ইউসুফ। তিনি বঙ্গবন্ধু সরকারের মন্ত্রী ছিলেন; আবার ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে সেই সরকারে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। পরে দপ্তরবিহীন মন্ত্রী হন এবং সেই অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর শূন্য আসনে জয়লাভ করেন নারায়ণ চন্দ্র চন্দ। এখনো ১০৩ সংসদীয় আসনের প্রতিনিধিত্ব করছেন নারায়ণ চন্দ্র চন্দ।

নুরুল ইসলাম বাদশা নামটি প্রথম শুনি ঢাকা কলেজের ছাত্রদের মুখে। এরপর দেখা করার সৌভাগ্য ও কথা হয়। সুদর্শন, অমায়িক ব্যবহার। অালাপচারিতার এক ফাঁকে তার রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে কথা হয়। কিন্তু তাঁর বর্ণাঢ্য জীবনের অনেক কাহিনী মানসপটে অাজো স্মৃতির ধূলিকণায় দ্যূতি ছড়ায়। তিনি খুলনা-৫ ডুমুরিয়া ফুলতলার মুকুটহীন তরুন প্রজন্মের সম্রাট এবং বঙ্গবন্ধুর অাদর্শের একনিষ্ঠ সৈনিক, সৎ, নির্ভীক ও শেখ হাসিনার অতন্দ্রপ্রহরী। জীবন তাঁকে দিয়েছে বর্ণীল সততা, সুমিষ্ট সুভাষী হওয়ায় এলাকায় ইতোমধ্যে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন নুরুল ইসলাম বাদশা।

তাঁর মত তুখোড় সৎ ছাত্রনেতা মানবতার মূর্ত প্রতিক। বাংলাদেশের রাজনীতি তথা তরুণ নেতৃৃত্বের প্রতি ফুলেল শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। নুরুল ইসলাম বাদশার দেশপ্রেম, মানবতা, আদর্শ তরুণ প্রজন্ম অনুকরণ করে। যার দীপ্ত পদচারণায় মুখরিত হবে সৎ রাজনীতির মঞ্চ, খুলনা-৫ ডুমুরিয়া ফুলতলার জনগণ তার নেতৃত্বের অপেক্ষায় থাকবে।

ডাঃ মোস্তফা কামাল
প্রধান বার্তা সম্পাদক, দৈনিক মুক্তবলাকা।