বেগম জিয়ার প্রতি সম্মান রেখেই কয়েকটি প্রশ্ন : পাঞ্জাব বিশ্বাস

129

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি সম্মান রেখেই কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর খুঁজছি।

তিনি যদি আদালতে অপরাধী প্রমানিত হয়ে দন্ডিত হন, তাহলে পরিনতি ভালো হবেনা বলে হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন বিএনপির কিছু সম্মানিত নেতৃবৃন্দ।

এই হুঁশিয়ারি কার বিরুদ্ধে?
সরকারের প্রতি নাকি আদালতের প্রতি?
যদি আদালতের প্রতি হয় তাহলে আমার কিছু বলার নেই, কারণ আদালত তার নিজেকে রক্ষা করতে সক্ষম। কিন্তু যদি সরকারের প্রতি হয় তাহলে সরকার প্রধানের দিকে আঙ্গুল তুলছেন বিএনপির নেতারা। স্বয়ং বেগম জিয়া মন্তব্য করেছেন,শেখ হাসিনা তাঁকে জেলে দেয়ার মতো ভুল করবেন না হয়তো।

এক্ষেত্রে আমার প্রশ্ন, একজন সরকার প্রধান কি ইচ্ছে করলেই কাউকে জেলে দিতে বা রাখতে পারেন? তা যদি সত্যি হয় তাহলে বেগম জিয়ার শাসনামলে একজন সাবেক রাষ্ট্রপতি জেলে কাটিয়েছিলেন। সেটা কি দেশের প্রচলিত আইনের বাইরে তখনকার প্রধানমন্ত্রী বেগম জিয়ার নির্দেশে? নাকি রাষ্ট্রের প্রচলিত আইনের নির্দেশে?

আমার কাছে বোধগম্য নয়, একটা ট্রাস্টের ঠিকানা প্রধানমন্ত্রীর বাড়িতে হয় কিভাবে? ট্রাস্টের ঠিকানা জানতে চাইলে আদালতে তাঁর আইনজীবিদের বক্তব্য জাতি শুনেছে।

বিদেশী অনুদানের টাকা সেই ট্রাস্টের তহবিল থেকে স্থানান্তরিত হলে, নিশ্চয়ই কোনো এতিমখানায় যাওয়ার কথা। কিন্তু সেই টাকা স্থানান্তরিত হয়েছে কোথায়? ট্রাস্টের সদস্যদের ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবে। ট্রাস্টের সদস্য কারা? তিনি, তাঁর সন্তান এবং তাঁরই আত্মীয়স্বজন। প্রতিটি বিষয় ব্যাঙ্কের দালিলিক সত্য।

এতোবড় বেআইনি চৌর্য্যবৃত্তির বিচারের রায় কি হতে পারে তা বিএনপির আইনজীবীদের বা দেশের সবাই ধারণা করতে পারছেন। তার বিপরীতে যদি কেউ আস্ফালন করে তাহলে এই বেআইনি তস্করদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র নিশ্চই তার দ্বায়িত্ব পালন করবে প্রচলিত আইনের রক্ষক হিসেবে এটাই স্বভাবিক নয় কি?