জনতার নেতা শেখ আকরাম হোসেন

96

জেলা প্রতিনিধি (খুলনা) : তারুণ্যের প্রতীক, ফুলতলা উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও ফুলতলা উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ আকরাম হোসেন। বিচক্ষণ মেধা ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞায় জনপ্রতিনিধিত্ব করছেন খুলনার স্থানীয় এ উপজেলায়। যার ধরুন কল্যাণমুখী এই জনপ্রতিনিধিকে এলাকার গরীব-দুঃখীরা ভালবেসে ডাকেন ‘জনতার নেতা’ বলে।

স্থানীয় ফুলতলা উপজেলার বাসিন্দারা জানান, উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ আকরাম হোসেন এলাকার রাস্তাঘাটের ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন। এলাকায় সর্বোত্ত নিরাপত্তা জোরদার ও মাদক এবং ইভ-টিজিংকে সবসময় জিরো টলারেন্স দেখিয়ে আসছেন। এজন্য এলাকায় মা-বোনরা নির্ভয়ে চলাচল করতে পারেন। মাদকের প্রভাব এবং ইভটিজিং কমে যাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন থানা-পুলিশও। নেতাকর্মীদের বিপদাপদে পাশে ছুটে যাওয়া, তাদের কথা শুনা ও দলমত নির্বিশেষে সবাইকে একসাথে নিয়ে তথা ডুমুরিয়া ও ফুলতলা উপজেলা সংসদীয় আসন খুলনা-৫ জননেত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দিতে চান।

জনতার নেতা ফুলতলা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ আকরাম হোসেন দৈনিক গণমাধ্যম পত্রিকার জেলা প্রতিনিধির সাথে একান্ত আলাপচারিতায় বলেন, ‘আমি স্বপ্ন দেখি ডুমুরিয়া ও ফুলতলা উপজেলা নিয়ে গঠিত সংসদীয় আসন খুলনা-৫ হবে একটি একান্নবর্তী পরিবারের মতো। যেখানে সকল ধর্মবর্ণের মানুষ মিলেমিশে বসবাস করবে। আমি জনগণের কল্যানের জন্য কাজ করে যেতে চাই। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ বুকে ধারণ করে সন্ত্রাসমুক্ত, মাদকমুক্ত, জঙ্গিবাদমুক্ত অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার একজন কর্মী হতে চাই।’

বি:দ্র: খুলনার ডুমুরিয়া ও ফুলতলা উপজেলা নিয়ে গঠিত সংসদীয় আসন খুলনা-৫। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত আসনটি আওয়ামী লীগের ভোট ব্যাংক হিসেবে পরিচিত। স্বাধীনতা-পরবর্তী সবগুলো জাতীয় নির্বাচনে এ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নির্বাচিত হলেও ২০০১ সালের নির্বাচনে সে ধারাবাহিকতায় বিরতি টেনে দেন জামায়াতের প্রার্থী। কিন্তু এবার ডুমুরিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক গাজী আব্দুল হাদীর অকাল মৃত্যু এবং আদলতে জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণার পর পাল্টে গেছে প্রেক্ষাপট। আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে এ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজ নিজ রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন পাওয়ার জন্য চেষ্টা-তদবির চালাতে শুরু করেছেন। সম্পৃক্ততা বাড়াচ্ছেন কেন্দ্রীয় কমিটির সঙ্গে। পাশাপাশি এলাকায় চালাচ্ছেন প্রচারও।

খুলনা-৫ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের অন্যতম ফুলতলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ আকরাম হোসেন। আসনটি আওয়ামী লীগের হলেও ২০০১ সালের নির্বাচনে জামায়াতের মহানগর কমিটির সাবেক আমির মিয়া গোলাম পরওয়ার ডুমুরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নারায়ণ চন্দ্র চন্দকে ৪ হাজার ভোটে হারিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। অবশ্য ২০০৮ সালের নির্বাচনে সেই নারায়ণ চন্দ্র আবার ২৯ হাজার ভোটের ব্যবধানে গোলাম পরওয়ারকে হারিয়ে সেই আসন পুনরায় উদ্ধার করেন। নারায়ণ চন্দ্র চন্দ মন্ত্রী হওয়ার পর থেকে নেতাকর্মীদের সাথে যোগাযোগ একরকম নেই বললেই চলে।