মালিবাগে উইনার মডেল স্কুল দখলের পায়তারা

25

 

মালিবাগ চৌধুরীপারাস্থ আবুল হোটেল ভবনে চলমান “মনপুরা স্কুল” টি “উইনার মডেল স্কুল ” যা নামে মাত্র হাত বায়না দিয়ে দখল করে নিয়েছেন মনপুরা স্কুলের এমডি জনাব আনোয়ার হোসেন। অনুসন্ধানে জানা যায়,
২০১৬ সালের ডিসেম্বরে মালিবাগস্থ আবুল হোটেল ভবনে মেহেদী হাসান হালিম কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত উইনার মডেল স্কুলটি বিক্রয় করা হবে মর্মে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিলে জনাব আনোয়ার হোসেন স্কুলটি কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেন। উইনার কর্তৃপক্ষ বাড়ী মালিক জনাব কাজল ও জয়নাল সাহেবকে ফেরতযোগ্য জামানত বাবদ প্রদানকৃত ৬লাখ টাকাসহ ৩টি এসি, সিসিক্যামেরা, কম্পিউটার, ফার্ণিচার, বেঞ্চ টেবিল আসবাবপত্র লাইট ফ্যান কনস্ট্রাকশনসহ যাবতীয় মালামালের মূল্য সর্বসাকুল্যে ১৮ লক্ষ টাকায় বিক্রয় করতে একমত হন। মনপুরার এমডি জনাব আনোয়ার ৩লাখ টাকা হাত বায়না দিয়ে স্কুলটি দখলে নেন। এরপর প্রতিমাসে ওয়াদা ভাংতে থাকেন। সর্বশেষ জানুয়ারী ‘১৮ মাসের শেষ সপ্তাহে টাকা পরিশোধের ওয়াদা দিয়ে আর ফোন ধরছেন না। সম্প্রতি বনশ্রী ক্যাম্পাসে হাজির হয়ে আনোয়ার সাহেবের শ্বশুরকে সরাসরী অভিযোগ করেও কোনো সুফল আসেনি উইনার স্কুল কর্তৃপক্ষের। ঢাকার বাড্ডা, সাতারকুল, বনশ্রী, মালিবাগসহ বিভিন্ন স্থানে শিক্ষা ব্যবসা সম্প্রসারণ অব্যাহত রেখেছে মনপুরা। পাশাপাশি রিয়েলএস্টেট, হাউজিংসহ নানান ব্যবসা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে গড়ে তোলা হচ্ছে মনপুরা গ্রুপ। ইতিমধ্যেই মতিঝিলে মনপুরা গ্রুপের অফিস ডেকোরেশনের কাজ চলছে বলে জানা যায়।
এ বিষয়ে জনাব মেহেদি হাসান অভিযোগ করেন, মৃত্যুপথযাত্রী মা’এর চিকিৎসার জন্য পাওনা টাকা চেয়েও উদ্ধার করা যায়নি মনপুরা স্কুল এন্ড কলেজ এর জনাব আনোয়ার সাহেবের কাছ থেকে। তিনি এখন টাকা দিতে অস্বীকার করছেন, ধৈর্যধরে সময় দিয়ে অপেক্ষা করে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাবার পর সত্য প্রকাশ করায় তিনি মিথ্যা মামলার ভয় দেখাচ্ছেন। সরকারী দল, পুলিশ ও আরো ওপরের লেভেলে তার বিরাট শক্তি আছে মর্মে হুমকি দিচ্ছেন, মানহানী মামলারও ভয় দেখাচ্ছেন।
এই ব্যাপারে গণমাধ্যম থেকে মনপুরা স্কুলের এমডি জনাব আনোয়ার হোসেনে কে অনেকবার ফোন করেও পাওয়া যায়নি।